মালদ্বীপের থিলাফুশি আইল্যান্ডে প্রবাসী বাংলাদেশি যুবক আমিন মিয়াকে (২৪) এক্সক্যাভেটর দিয়ে পিষে মারার অভিযোগে গ্রেফতার শ্রীলঙ্কান নাগরিক হেশান মাদুরাঙ্গার ৪৫ দিনের নতুন রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন দেশটির আদালত। ১০ দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক এই দীর্ঘমেয়াদী রিমান্ডের আদেশ দেন।
নিহত আমিন মিয়া মালদ্বীপের ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট করপোরেশনে (ওয়ামকো) গত ছয় মাস ধরে কর্মরত ছিলেন। গত ২৮ জানুয়ারি থিলাফুশি আইল্যান্ডের ময়লার স্তূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মালদ্বীপের স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে আমিন মিয়ার মাথায় এক্সক্যাভেটর দিয়ে একাধিকবার আঘাত করা হচ্ছে। অভিযুক্ত শ্রীলঙ্কান নাগরিক হেশান মাদুরাঙ্গা (৩২) ওই যন্ত্রটি চালাচ্ছিলেন। আমিনকে আঘাত করার পরও তিনি যন্ত্রটি বন্ধ না করে বরং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চালিয়ে যাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ঘটনার দিনই হেশান মালদ্বীপ থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। এছাড়া তদন্তে বেরিয়ে এসেছে যে, হেশান ওই প্রতিষ্ঠানে কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অবৈধভাবে কর্মরত ছিলেন। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে পুলিশ তার বিরুদ্ধে হত্যার মামলা দায়ের করেছে।
নিহত আমিন মিয়া দুদিন ধরে কর্মস্থল থেকে নিখোঁজ থাকার পর তার মরদেহ ময়লার স্তূপে খুঁজে পাওয়া যায়। এ ঘটনায় মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিচার নিশ্চিতের দাবি উঠেছে। মালদ্বীপ পুলিশ জানিয়েছে, মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত কাজ এখনও চলমান রয়েছে।