আজারবাইজান সীমান্তে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন ইরানে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে সেদেশে বসবাসরত বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশিরা নিজ দেশে ফেরার জন্য ব্যাকুল হয়ে আস্তারা সীমান্তে অপেক্ষা করছেন।
তেহরানের বাংলাদেশ দূতাবাস নিজ দেশের নাগরিকদের স্বদেশে ফেরাতে এ আয়োজন করে।
দূতাবাস প্রধান এইচ এম বনান জানিয়েছেন, দুই শতাধিক বাংলাদেশিকে নিয়ে বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে তারা ৯টি বাসে করে ইরানের প্রতিবেশী দেশ আজারবাইনের সীমান্তের দিকে রওনা হয়েছেন।
দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স রাবেয়া সুলতানাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাও স্বদেশ গমনে ইচ্ছুক যাত্রীদের সঙ্গে রয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছেন।
এদিকে যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, আজারবাইজানের বাকু বিমানবন্দরে যাত্রীদের নিয়ে যাবার জন্য ৬টি গাড়ি প্রস্তুত থাকলেও ইমিগ্রেশনের কাজ সম্পন্ন করতে সময় লেগে যাচ্ছে।
ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর আঞ্জালিতে বুধবার মার্কিন-ইসরাইলি হামলার ঘটনায় সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অফিস সময়ের মধ্যে গাড়ি সীমান্তে না পৌঁছানো ওই বিলম্বের কারণ। আঞ্জালির কাছেই অবস্থিত ইরান-আজারবাইজানের আস্তারা সীমান্ত।
জানা যায়, বিকাল ৫টায় ফ্লাইট হওয়ার কথা থাকলেও ইমিগ্রেশনে দেরি হওয়ার সময় পিছিয়ে সন্ধ্যা ৭টায় পরিবর্তন করা হয়। ওই সময়ের মধ্যেও বিমানবন্দরে পৌঁছানো যাবে কিনা-সে ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন অপেক্ষমান স্বদেশগামী যাত্রীরা। সীমান্ত থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে কমপক্ষে চার ঘণ্টা লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।