চাঁদাবাজ কালা ফারুক আটক, ঘুরিয়ে দেখানো হলো মোহাম্মদপুরবাসীকে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চিহিৃত চাঁদাবাজ ফারুক ওরফে কালা ফারুককে আটকের পর পুরো এলাকা ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের দেখালো মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। এসময় যেসব দোকানপাট থেকে চাঁদা চেয়ে হুঁমকি দিয়েছিল, সেসব দোকানেও কালা ফারুককে নেওয়া হয়।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া এলাকায় অভিযানে আটকের পর তাকে মোহাম্মদপুরে নিয়ে আসা হয়।

‎স্থানীয়দের ভাষ্য, ফারুক শ্রমিকদলের বহিস্কৃত নেতা। তার উৎপাতে বসিলা সিটি হাউজিং ও বসিলা ৪০ ফিট এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

তাকে আটকের পর পুরো এলাকা ঘুরিয়ে মাইকিং করে স্থানীয়দের সামনে নিয়ে আসাকে পুলিশের ‘প্রশংসনীয়’ কাজ হিসেবেও দেখছেন স্থানীয়রা।

‎এদিকে, মোহাম্মদপুর এলাকার বেশ কয়েকটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ ভাইরাল হয়েছে।

ওইসব ভিডিওতে দেখা যায়, বসিলা ৪০ ফিট এলাকা ও সিটি হাউজিং এলাকায় কয়েকটি মোটরসাইকেলসহ ৮-১০ জনের একটি চাঁদাবাজ গ্রুপ গিয়ে একটি দোকানে গিয়ে চাঁদার জন্য দোকান বন্ধ রাখতে বলে। এরপর আশপাশে থাকা অন্যান্য দোকানগুলো ও ভবন বন্ধ করতে হুঁমকি দিয়ে আসে।

এ ঘটনার পর এক ভূক্তভোগী মোহাম্মদপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ তাকে আটক করে।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন।

তিনি বলেন, মোহাম্মদপুর থানার বসিলা গার্ডেন সিটি ও আশেপাশের এলাকায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে চাঁদার দাবিতে হুঁমকি দিয়ে আসছিল ফারুক ও তার সহযোগীরা। সম্প্রতি এক ব্যবসায়ী অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কাজ শুরু করে থানা পুলিশ। 

‎তিনি আরও বলেন, ‘ফারুক স্থানীয় চিহ্নিত চাঁদাবাজ। তাকে নিয়ে আমরা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মাইকিং করছি। ফারুককে দেখিয়ে আমরা স্থানীয় সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বার্তা দিতে চাই যে, অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’