ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পার্কিং স্পেসের দাবিতে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা আকস্মিক ধর্মঘট শুরু করেছেন। এর ফলে চিকিৎসা নিতে আসা গুরুতর অসুস্থ রোগী এবং স্বজনরা মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন।
রোগীদের এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর কিংবা মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমনকি বিকল্প উপায়ে রোগী পরিবহনেও ধর্মঘটকারীরা বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠে এসেছে।
অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির নেতাদের দাবি, ঢামেকের নতুন পরিচালকের নির্দেশে তাদের সমস্ত গাড়ি হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। উল্টো রাস্তায় গাড়ি রাখলে ট্রাফিক পুলিশ মামলা দিচ্ছে, যা তাদের বাধ্য হয়ে এ আন্দোলনে নামিয়েছে।
অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বেসরকারি এসব অ্যাম্বুলেন্স মালিকরা সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিলেন। এছাড়া তারা রোগী ও স্বজনদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছিলেন এবং হাসপাতালে দালাল চক্রের সৃষ্টি করেছিলেন।
বর্তমানে হাসপাতালে মাত্র তিনটি সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালু থাকায় পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। নিরুপায় হয়ে স্বজনরা সিএনজি, অটোরিকশা বা পিকআপ ভ্যানে করে রোগী ও লাশ পরিবহন করতে বাধ্য হচ্ছেন।
হাসপাতাল প্রশাসন জানিয়েছে, রোগীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ দখলদারি ও সিন্ডিকেট রোধে দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের প্রতি জনভোগান্তি না বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।