তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার হওয়া বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরির মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে উত্তরার বাসায় নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাদ আসর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টর জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ১২ নম্বর সেক্টরের গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজুর রহমান তাহসিফ সাউরির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। প্রতিবেদনে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, মরদেহটি শনাক্ত করেন তাহসিফের খালাতো ভাই জহির হাসান। তার উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। মাথার চুল কালো, মুখমণ্ডল গোলাকার এবং মুখ ও চোখ বন্ধ ছিল। নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায়। তার ছোট কালো দাড়ি ও গোঁফ ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহের দুই হাত মাথার সামনের দিকে বাঁকানো এবং হাতের মুঠো খোলা অবস্থায় ছিল। বুক, পেট, পিঠ ও দুই পা স্বাভাবিক ছিল। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে পেট ফোলা ছিল।
সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাদের দেখানো মতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
এর আগে মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ সাউরি। বুধবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরখানের তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।