হাসিমের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চিকিৎসা বঞ্চিত মানসিক প্রতিবন্ধী আব্দুল হাসিমের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন সাবেক সফল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুজ্জামান বাবর। চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিএনপির এ নেতা। হাসিমের বাড়ি মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নে মনিকা গ্রামে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা একটি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য আব্দুল হাসিমকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লুৎফুজ্জামান বাবরের রাজনৈতিক প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান মাহমুদ।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মানসিক প্রতিবন্ধী আব্দুল হাসিম, তিনি লুৎফুজ্জামান বাবর ধানের শীষকে ভালবাসেন। ১৭ বছর আগে লুৎফুজ্জামান বাবরের কারাবন্দি হওয়ার খবর শুনেই তিনি মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন এবং বাবর বাবর বলে সব সময় ডাক দেন। 

ধানের শীষ বলে সব সময় স্লোগান দেন আব্দুল হাসিম। এমন একটি সংবাদ বেসরকারি একটি টেলিভিশনে সংবাদটি প্রকাশিত হয়। বিষয়টি মানবিক লুৎফুজ্জামান বাবরের নজরে আসলে তিনি আব্দুল হাসিমকে ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেন। শনিবার দুপুরে হাসিমের বাড়িতে একটি অ্যাম্বুলেন্সে পাঠান এবং ঢাকা নিয়ে যান। দীর্ঘদিন ধরে আব্দুল হাসিম মানসিক রোগে বিনা চিকিৎসায় ভুগছিলেন।

আব্দুল হাসেমের ভাই আবুল হোসেন বলেন, আমার ভাই বাবর ভাইকে খুবই ভালবাসেন। ধানের শীষকে ভালবাসেন। বাবর ভাই জেলে যাওয়ার খবর পেয়েই তিনি মানসিক রোগী হয়ে পড়েন। আমরা দরিদ্র মানুষ, আমার ভাইকে ভাল চিকিৎসা দিতে পারি নাই। আমার ভাই মানসিক রোগী এ খবরটা বাবর ভাই পেয়ে আজকে একটি অ্যাম্বুলেন্স পাঠিয়েছে ভাইকে ঢাকায় একটি উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য। বাবর ভাইয়ের জন্য আমি ও আমার পরিবার চিরকৃজ্ঞ। 

নেত্রকোনা জেলা যুব ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক গোবিন্দশ্রী গ্রামের বাসিন্দা মো: মোবারক হোসেন জানান, বাবর ভাই আজকে প্রমাণ করেছেন আসলেই তিনি একজন ভাটী বাংলার মেহনতি মানুষের নেতা, গরীবের নেতা। তিনি খবর পেয়েই যে কাজটি করেছেন বাংলাদেশে এমন নজির আর নেই।

বাবরের রাজনৈতিক প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান মাহমুদ বলেন, গতকাল একটি বেসরকারি টেলিভিশনে আব্দুল হাসিমের একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটিতে ছিল তিনি বাবর স্যারকে খুবই ভালবাসেন। এমনকি তিনি জেলে যাওয়ার পরেই মানসিক রোগী হয়ে পড়েন। এ থেকেই তিনি বিনা চিকিৎসায় ভুগছেন। বিষয়টি স্যারের নজরে এসেছে এবং উনাকে উন্নত চিকিৎসা দেয়ার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্যার মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। স্যারের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কল্যাণে অব্যাহত থাকবেন।