কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় কুলাউড়ার যুবকের মৃত্যু

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের তরুণ আজম মিয়া (৩২) কাতারে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। 

 

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে মারা যান।

 

নিহত আজম মিয়া কুলাউড়া সদর ইউনিয়নের মতিন মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে। 

 

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, কাতার প্রবাসী আজম মিয়া শনিবার দিবাগত রাতে তার কোম্পানিতে কাজ করার সময় কর্মস্থলে দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি কাতারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে নিহত হন বলে জানানো হয়।

 

নিহত ব্যক্তির স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আজম পাঁচ থেকে ছয় বছর আগে কাতারে যান। তিনি দোহায় কাজ করতেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে তার স্ত্রী সুলতানা বেগম তাকে ইমোতে কল দেন। এ সময় আজম তাকে বলেন, দিনে প্রচণ্ড গরমের কারণে তাদের রাতে কাজ করতে হয়। তিনি কাজে যাচ্ছেন। ফিরে কল দিয়ে কথা বলবেন। স্বামীর কাছ থেকে সেই কল আর সুলতানা বেগমের কাছে আসেনি। 

 

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে কাতারপ্রবাসী কয়েকজন আত্মীয় কল দিয়ে সুলতানা বেগমকে জানান, আজম বহুতল ভবনে কাজ করার সময় রশি ছিঁড়ে নিচে পড়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। তার সাথে থাকা দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হন। পুলিশ আজমের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

 

নিহতের বড় ভাই মাতাব মিয়া বলেন, ‘তারা চার ভাই। একই বাড়িতে সবার আলাদা সংসার। আজমের স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে আছে। তার উপার্জনেই সংসার চলত। প্রায় দুই বছর আগে তিন মাসের ছুটি কাটিয়ে আজম কাতারে ফিরেছিলেন। লাশ দেশে আনা হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

 

কাতারে দুর্ঘটনায় আজম মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো: রুশন মিয়া।