গাজায় চরম খাদ্য সংকট, অনাহারের শিশুরা

গাজায় তীব্র অপুষ্টির শিকার হয়েছেন হাজার হাজার নারী এবং শিশু। তাদের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা প্রয়োজন।
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে এরই মধ্যে অপুষ্টির শিকার এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

এদিকে গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলেও ৪০ দিনের একটি শিশু অপুষ্টির কারণে মারা গেছে। ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধের ফলে গাজায় দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে যে, শুধুমাত্র রোববারই অপুষ্টির কারণে কমপক্ষে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি জানিয়েছে যে, গাজায় বর্তমানে অপুষ্টির শিকার ৯০ হাজার নারী ও শিশুর জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রয়োজন।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে একদিনে নিহত হয়েছে আরও ৬০ জনের বেশি মানুষ। এর মধ্যে ১১ জন ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছিল। সোমবার গাজাজুড়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। 

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস বলছে, তারা গাজায় দুর্ভিক্ষ ঠেকাতে এবং এই ভয়াবহ যুদ্ধ বন্ধ করতে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছে এবং মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপর থেকেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালাচ্ছে ইসরায়েল। সেখানে এখন পর্যন্ত ৫৯ হাজার ২৯ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩৫ জন।