চট্টগ্রামে যাওয়ার পথে চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে কুপিয়ে দুই ভাইকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুজন মিয়া (৩৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর ছোট ভাই শরিফ মিয়া।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার মুহুরীগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ওই এলাকা থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।
নিহত ও আহত দুই ভাই কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তারা দুজনই সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক।
আহত শরিফ মিয়া দাবি করেন, কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাঁদের কুপিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হয়।
শরিফ বলেন, ‘ছিনতাইকারীরা আমাকে একদিকে এবং আমার ভাই সুজনকে অন্যদিকে ফেলে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে রাতভর খোঁজ করেও সুজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি।’
এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় ভৈরব থেকে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির উদ্দেশে ট্রেনে ওঠেন সুজন ও শরিফ। বগিতে জায়গা না থাকায় তাঁরা ট্রেনের ছাদে ওঠেন। রাতে ট্রেনটি মুহুরীগঞ্জ এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের ঝাপটে ধরেন বলে দাবি করেন শরিফ।
পরে বৃহস্পতিবার সকালে মুহুরীগঞ্জ এলাকা থেকে সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ।
রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বলেন, নিহত সুজনের মাথায় বড় ধরনের জখমের চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাটি ছিনতাই, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।