ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে তাজমিনের পোশাক

কুমিল্লার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তাজমিনকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কি-না, তা নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের সময় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই নমুনা থেকে তার পোশাক পরীক্ষার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। তার মোবাইল ফোনটিও ফরেনসিক পরীক্ষার আওতায় আনা হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে মামলার সাবেক তদন্ত কর্মকর্তা লালমাই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল্লাহ আল ফারুক এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, এসব আলামত ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক মো. সুমন মিয়া স্কুলছাত্রী তাজমিনকে হত্যার আগে ধর্ষণ করে। হত্যার পর কিশোরীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে আইফোন নিয়ে নিজের অটোরিকশা ফেলে অন্য একটিতে করে পালিয়ে যান। সুমন মিয়া আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেন।

কক্সবাজারের হোটেল কর্মচারী রিয়াজ উদ্দিন রাজু ওরফে রাজু চৌধুরীর (২০) সঙ্গে তাজমিন ঘটনার আগের দিন অবস্থান করে। সেখান থেকেই বুধবার (৭ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে বাসে কুমিল্লা পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে নামে তাজমিন। পরদিন সকালে ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। সুমন মিয়া কুমিল্লা কারাগারে রয়েছেন।  রোববার রাতে রাজুকে গ্রেপ্তার করে কক্সবাজার পুলিশ। সোমবার সকালে কক্সবাজারে থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিয়ে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা হয় কুমিল্লা ডিবি।