দৈনিক নয়া দিগন্তের জয়দেবপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুল আজিজের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং বনভূমি জবরদখলের অভিযোগে অভিযুক্ত ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরাফাত রহমান রাসেলকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার ও তারসহ সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গাজীপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১১টা ও দুপুর ১২টায় গাজীপুর সদর উপজেলার হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গাজীপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাব এবং গাজীপুর জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের পৃথক দুটি ব্যানারে ভিন্ন সময়ে দুটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গাজীপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক মিলন শেখ, সহ-সভাপতি মাহবুব হোসেন, সাবেক সভাপতি ফরিদুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লাভলু মিয়া, আমিনুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, আবু জাফর, রতন হোসেন, মোসলেউদ্দিন খান বাবুল এবং শ্রীপুর সাংবাদিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক এস. এম. জহিরুল ইসলাম।
অপরদিকে, গাজীপুর জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেন গাজীপুর সাংবাদিক পরিষদের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান সবুজ, খবর সংযোগ প্রতিকার গাজীপুর প্রতিনিধি রোকুনুজ্জামান খান, আজিজ মিয়া রুবেল, ইব্রাহিম সরকার, আজহারুল ইসলাম সজল, সাইফুল ইসলাম শুভ, সাইফুল ইসলাম, আলমগীর ইসলাম, এস. এম. জহিরুল ইসলাম, দৈনিক জনতার সাংবাদিক ওবাইদুল ইসলাম এবং গাজীপুর সদর প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক।
এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মানববন্ধনে অংশ নেন।
বক্তারা সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত যুবদল নেতা আরাফাত রহমান রাসেলকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে বনভূমি জবরদখলের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। স্বাধীন সাংবাদিকতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।