রাজবাড়ীতে কথা, কবিতা, নৃত্য ও গানের মধ্যে দিয়ে শরৎ উৎসব উদযাপন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের আয়োজনে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদ রাজবাড়ীর সভাপতি সালাম তাসিরের সভাপতিত্বে এতে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পাংশা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আইয়ুব আলী সরদার, বালিয়াকান্দি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শাহনেওয়াজ পারভেজ, বিশ্বভরা প্রাণ ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি কবি শফিক ইসলাম ও জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ।
মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদ রাজবাড়ীর সাধারণ সম্পাদক মো. রাজ্জাকুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ডা. আবুল হোসেন কলেজের সহকারী অধ্যাপক চৌধুরী আহসানুল করিম হিটু, বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব নাসিম শফির স্ত্রী শাহানা শফী, রাজবাড়ী সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি খোকন মাহমুদসহ মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের সদস্য, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।
এ সময় বক্তারা বলেন, শরৎ বাঙালি সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে রূপান্তরিত হয়েছে। শরতের কিছু আলাদা বৈশিষ্ট্য আছে, যা কবিদের লেখায় ফুটে উঠেছে। যেমন- আকাশ, কাশফুল, শিউলি ইত্যাদি। শরতের সুবিশাল আকাশ যেন আমাদের মনকে আরও প্রশস্ত করে। তবেই আমরা আরও অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক হতে পারবো।
বক্তারা আরও বলেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এমন সাংস্কৃতিক, ঋতুভিত্তিক অনুষ্ঠান আরও বেশি পালন করতে হবে। কারণ এগুলো অসাম্প্রদায়িক বাঙালির উৎসব। সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আরেকটি বড় লক্ষ্য এ ধরনের অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শরৎ উৎসব আয়োজনের জন্য মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদকে অভিনন্দন জানান। এ সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন অতিথিরা। অনুষ্ঠান শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় তিনটা গ্রুপে ৯ জনকে ও সুন্দর হাতের লেখার জন্য ৩ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।