ঝিনাইদহে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর আঞ্চলিক ক্যাম্পাস স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছে বিকেএসপি ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল। প্রাথমিক পর্যায়ে পরিদর্শন করা দুটি স্থানই ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য উপযোগী বলে মত দিয়েছে দলটি।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মোহাম্মদপুর এবং দুধসর-চাঁদপুর আবাসন এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) কর্নেল গোলাম মাবুদ হাসান (পিএসসি)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ এবং আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সোহেল খানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ বলেন, বিকেএসপির আঞ্চলিক ক্যাম্পাস নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীদের খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ আরও সহজ হবে। তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে ঝিনাইদহের রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য। শৈলকুপায় এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং এ অঞ্চলের ক্রীড়া উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) কর্নেল গোলাম মাবুদ হাসান বলেন, ‘প্রাথমিক পরিদর্শনে দুটি স্থানই আমাদের কাছে উপযোগী বলে মনে হয়েছে। পরিদর্শনের ভিত্তিতে আমরা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেব। এরপর মন্ত্রণালয় ও বিকেএসপি যৌথভাবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিকেএসপির আঞ্চলিক ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নতুন এই ক্যাম্পাস।
সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মোহাম্মদপুর এবং দুধসর-চাঁদপুর আবাসন এলাকা পরিদর্শন করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) কর্নেল গোলাম মাবুদ হাসান (পিএসসি)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ এবং আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সোহেল খানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পরিদর্শন শেষে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ বলেন, বিকেএসপির আঞ্চলিক ক্যাম্পাস নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীদের খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ আরও সহজ হবে। তিনি বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে ঝিনাইদহের রয়েছে গৌরবময় ঐতিহ্য। শৈলকুপায় এ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হলে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং এ অঞ্চলের ক্রীড়া উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।
বিকেএসপির পরিচালক (প্রশিক্ষণ) কর্নেল গোলাম মাবুদ হাসান বলেন, ‘প্রাথমিক পরিদর্শনে দুটি স্থানই আমাদের কাছে উপযোগী বলে মনে হয়েছে। পরিদর্শনের ভিত্তিতে আমরা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে একটি প্রতিবেদন জমা দেব। এরপর মন্ত্রণালয় ও বিকেএসপি যৌথভাবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।’
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই বিকেএসপির আঞ্চলিক ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে তারা আশাবাদী। এতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নতুন এই ক্যাম্পাস।