বাগেরহাটে ৪টি আসন বহালের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে ২ দিনের হরতাল শিথিলের ঘোষণা দিয়ে ৪ দিনের ধারাবাহিক কর্মসূচি প্রকাশ করেন সংগঠনটির সদস্য সচিব শেখ মো. ইউনুস।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি অফিস ও আদালত ঘেরাও করে অবস্থান কর্মসূচি হবে। এরপর সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত টানা ৩ দিন হরতাল পালন করা হবে। তবে রাতে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
এর আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটি প্রাথমিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় নতুন কর্মসূচি প্রকাশ করা হলো।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের ৪টি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে ৩টি আসনের প্রস্তাব দেয়। এরপর থেকে জেলার সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলন শুরু করে। ৪ আসন বহালের দাবিতে বাগেরহাটবাসী নির্বাচন কমিশনের শুনানিতেও অংশ নেন। কিন্তু ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেটে সীমানা পরিবর্তন করে ৩টি আসনই বহাল রাখা হয়।
গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ (বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা) ও বাগেরহাট-৩ (কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসন রাখা হয়েছে।
এর আগে দীর্ঘদিন থেকে বাগেরহাটে ৪টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তখনকার সীমানা ছিল- বাগেরহাট-১: চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট, বাগেরহাট-২: বাগেরহাট সদর-কচুয়া, বাগেরহাট-৩: রামপাল-মোংলা ও বাগেরহাট-৪: মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা।