শুক্রবার এলেই ঈদের আমেজ শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা মসজিদ চত্বরে

শুক্রবার এলেই যেন ঈদের আমেজ নেমে আসে শেরপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদের সামনে। জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মসজিদ চত্বর ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।
 
নামাজের আগে ও পরে মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বসেন অস্থায়ী দোকানিরা। তাদের দোকানে থাকে নানা ধরনের বাহারি খাবার- জিলাপি, ছোলা, হালিম, বেলপুলি, মৌসুমি ফল, বিভিন্ন রকমের শরবত, বিভিন্ন প্রজাতির ছোট বড় মাছ সহ বিভিন্ন মুখরোচক খাবার। এসব খাবারের স্বাদ নিতে যেমন ভিড় করেন মুসল্লিরা, তেমনি পরিবারের জন্য বাসায় নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যেও অনেককে কেনাকাটা করতে দেখা যায়।
 
জুমার নামাজ শেষে কয়েক হাজার মুসল্লি একসঙ্গে বের হলে মুহূর্তেই জমে ওঠে পুরো এলাকা। ছোট-বড় সবার পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে মসজিদের সামনের সড়ক। কেউ প্রিয় খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন, কেউ আবার পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।
মসজিদের সামে ভাসমান বাজারে কেনা বেচা
স্থানীয় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা জানান, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় শুক্রবার তাদের বিক্রি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাই এই দিনের অপেক্ষায় থাকেন তারা। অন্যদিকে পথচারীর কাছেও শুক্রবারের এই প্রাণচঞ্চল পরিবেশ শেরপুরের একটি বিশেষ ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।

ধর্মীয় আবহ, মানুষের মিলনমেলা এবং বাহারি খাবারের সমারোহ সব মিলিয়ে প্রতি শুক্রবার শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদ চত্বর যেন হয়ে ওঠে এক টুকরো উৎসবের নগরী, যেখানে ঈদের আনন্দের ছোঁয়া অনুভব করেন আগত মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ।