কৃষকের ছদ্মবেশে ধানক্ষেতে কাজ করতে যাচ্ছিলেন এক ব্যক্তি। কিন্তু টহলরত বিজিবি সদস্যরা জেরা করতেই তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। ধাওয়া করে তাকে আটক করেন জওয়ানরা। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ করতেই বেরিয়ে আসে আসল রহস্য।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধানক্ষেতের কাদা খুঁড়তেই পাওয়া গেল কোটি টাকার সোনা। কাদার ঠিক নিচেই পলিথিনে মুড়িয়ে রাখা হয়েছিল ১০১ ভরি ওজনের ১০টি সোনার বার, যার বাজারমূল্য সোয়া দুই কোটি টাকা।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় বিজিবি জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের ক্যাফে ২০ কনফারেন্স কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে অভিযানের এই তথ্য জানিয়েছেন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী।
তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সীমান্ত এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে এই বিপুল পরিমাণ সোনা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া সোনার মোট ওজন ১০১ ভরি ৯ আনা ২ রতি। ২২ ক্যারেটের এই সোনার আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ২৭ লাখ ৮৩ হাজার টাকা।
আটককৃত চোরাকারবারির নাম মামুনুর রশীদ (৩৫)। তিনি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানার রতনপুর গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে।
বিজিবির অধিনায়ক লতিফুল বারী বলেন, টহলকালে মামুনুর রশীদকে ধানক্ষেতে কাজ করার জন্য যেতে দেখা যায়। বিজিবি টহল দলের কাছাকাছি আসলে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। সে সময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আটক করা হয়। একপর্যায়ে তিনি সোনা বহনের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং কাদার নিচে লুকিয়ে রাখার কথা জানান। পরে তার দেখানো মতে কাদা খুঁড়ে পলিথিনে মোড়ানো সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিজিবির এই কর্মকর্তা।