কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে শুনানি ভোটের পর

ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে করা আপিলের শুনানি নির্বাচনের পর অনুষ্ঠানের আদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর ফলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে অংশ নিতে ড. কাইয়ুমের আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না।

এর আগে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিলের জন্য আপিল আবেদন করেছিলেন একই আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২ ফেব্রুয়ারি এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে ভানুয়াতোর নাগরিকত্ব থাকা ও তা গোপনের অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে রিট করেন নাহিদ ইসলাম। তবে গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে নাহিদ ইসলাম আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানির পর আদালত জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত শুনানি নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতে ড. এম এ কাইয়ুমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান খান ও ব্যারিস্টার কাজী আক্তার হোসেন। অন্যদিকে নাহিদ ইসলামের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু ও অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন শুরুতে ঢাকা-১১ আসনে নাহিদ ইসলাম এবং ড. এম এ কাইয়ুম—উভয়ের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।