৮৬ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ

টানা তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না করায় ডিপ্লোমা পর্যায়ের ৮৬টি বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমোদন বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি)। এসব প্রতিষ্ঠানের ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করার কথাও জানিয়েছে বোর্ড। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিটিইবির পরিদর্শক প্রকৌশলী বি. এম. আমিনুল ইসলামের সই করা এক তাগিদপত্রে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। তালিকাভুক্ত ৮৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ও ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বোর্ডের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন এসব প্রতিষ্ঠান বিগত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদনের শর্তাবলিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও প্রতিষ্ঠানে পরপর তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না করলে পাঠদানের অনুমোদন বাতিল করা হবে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা পর্যায়ের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০-এর উপনীতি ৫.৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি এবং পাঠদানের অনুমতি প্রদানের সময় আরোপিত অন্যান্য প্রযোজ্য শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

এতে বলা হয়, বিগত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করায় সংযুক্ত তালিকায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদানের অনুমোদন কেন বাতিল বা প্রত্যাহার করা হবে না, সে বিষয়ে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই চিঠির পরও বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়ায় এবার তাগিদপত্র দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের তালিকায় ৮৬টি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।