টেবিল ও জনবল বাড়িয়ে ভোট গণনা কার্যক্রম শেষ করে রাতের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনিরুজ্জামান।
শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তিনি।
তিনি বলেন, ম্যানুয়েল পদ্ধতিতেই চলবে জাকসুর ভোট গণনা, ইতোমধ্যে গণনার কাজের জন্য পোলিং অফিসার বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এর আগে ওএমআর স্ক্যানার ব্যবহার না করায় হাতে গণনায় আপত্তি জানিয়ে আজ বিকাল ৫টার দিকে ভোট গণনা স্থগিত রাখেন শিক্ষকরা। পরে জরুরি বৈঠকে বসে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। বৈঠক থেকে বেরিয়ে অবশিষ্ট ভোট গণনা শুরু করার নির্দেশ দেন প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা। পরে সন্ধ্যা সোয়া ৬টার পর ফের ভোট গণনা শুরু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যসচিব একেএম রাশিদুল আলম গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, পূর্বের ন্যায় ম্যানুয়ালি ভোট গণনা চলতে থাকবে। তবে ভোট গণনা টিমের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
জাকসু নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ। এবার মোট ভোটার ১১ হাজার ৮৯৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ১১৫ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৭২৮ জন। বিভিন্ন পদে মোট ১৭৮ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১০ জন। কেন্দ্রীয় ও হল সংসদে প্রায় ৫৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ১০২ জন।
এবারের নির্বাচনে ২৫টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১৭৮ প্রার্থী। নির্বাচনে বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত মিলিয়ে সর্বমোট ৮টি প্যানেল অংশগ্রহণ করে।