যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট জর্জ ওয়াশিংটনের কৈশোর ও তরুণ বয়সের অজানা অধ্যায় নিয়ে নির্মিত নতুন চলচ্চিত্র ‘ইয়াং ওয়াশিংটন’ এখন বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে জমকালো আয়োজনে নির্ধারিত সময়েই মুক্তি দেওয়া হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি। ছবিতে তরুণ জর্জ ওয়াশিংটনের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন উদীয়মান তারকা উইলিয়াম ফ্রাঙ্কলিন-মিলার।
চলচ্চিত্রটির কাহিনিতে দেখানো হয়েছে, জাতির জনক হিসেবে পরিচিত হওয়ার বহু আগে একজন সাধারণ তরুণ সৈনিক হিসেবে জর্জ ওয়াশিংটনের সংগ্রামের গল্প। ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, এক তরুণ সৈনিকের একটি ভুল সিদ্ধান্ত কীভাবে তাকে একটি বৈশ্বিক সংঘাতের কেন্দ্রে নিয়ে যায়, যেখানে তাকে সম্মান, আনুগত্য ও সাহসের কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।
জোট ভেঙে পড়া এবং সীমান্তজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে তাকে শুধু শত্রুর সঙ্গেই নয়, লড়াই করতে হয়েছে নিজের ব্যক্তিত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিচয়ের সঙ্গেও। সিনেমাটি মূলত তরুণ ওয়াশিংটনের সেই অজানা ও রোমাঞ্চকর অধ্যায়কেই সেলুলয়েডের পর্দায় তুলে ধরেছে।
বর্তমান সময়ের প্রায় প্রতিটি বড় বাজেটের সিনেমার শেষ ক্রেডিটের পর অতিরিক্ত দৃশ্য বা ভবিষ্যতের সিক্যুয়ালের ইঙ্গিত দেওয়ার একটি ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যায়। তবে ‘ইয়াং ওয়াশিংটন’ সিনেমার নির্মাতারা আগেই নিশ্চিত করেছেন যে, এই চলচ্চিত্রের শেষ ক্রেডিটের পর কোনো অতিরিক্ত দৃশ্য বা চমক থাকছে না। তাই দর্শকরা মূল চলচ্চিত্র শেষ হওয়ার পর কোনো দৃশ্য মিস করার আশঙ্কা ছাড়াই নিশ্চিন্তে প্রেক্ষাগৃহ ত্যাগ করতে পারবেন। তবে সিনেমার পেছনে অবদান রাখা কলাকুশলীদের নাম এবং সম্মান জানাতে চাইলে দর্শকরা শেষ পর্যন্ত আসন আঁকড়ে থাকতেই পারেন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই সিনেমাটি ইতিমধ্যে সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে।