বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আগামী ২৮ মে (বুধবার) সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। তবে উৎসবের এই সময়ে আবহাওয়া নিয়ে বড় ধরনের দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঈদের দিন এবং এর আগে-পরে দেশে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবল শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।
সোমবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে ঈদের তারিখ ঘোষণার পাশাপাশি আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসও আলোচনায় আসে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, মে মাসের দ্বিতীয় অর্ধে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ থেকে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ জানান, মে মাসের শেষ দিকে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও বিশেষ করে ঈদের সময়টিতে বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও কালবৈশাখী ঝড়ের প্রবণতা বাড়তে পারে। উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে তীব্র কালবৈশাখীর পাশাপাশি উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ কমিটির সভায় জানানো হয়েছে, সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির প্রক্রিয়াটি মে মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হতে পারে, যা ঈদের ঠিক আগমুহূর্তে উপকূলে আঘাত হানার পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। ফলে কোরবানির পশুর হাট এবং ঈদযাত্রায় এই বৈরী আবহাওয়া বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।