চামড়া পাচার ও পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে বাড়তি নজরদারিতে বিজিবি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যশোর ও খুলনার সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, পুশইন এবং কোরবানির পশুর চামড়া পাচার ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী সময়ে সীমান্তকেন্দ্রিক যেকোনো অপরাধ প্রতিরোধে নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ মে) গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান।

তিনি জানান, ঈদুল আজহায় বিপুল পরিমাণ পশু কোরবানি হওয়ায় প্রতিবছরের মতো এবারও সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে কোনোভাবেই যাতে কোরবানির পশুর চামড়া ভারতে পাচার না হতে পারে, সেজন্য বিজিবি সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশেষ করে রাতের টহল বাড়ানো হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাইকিং করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হচ্ছে।

বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, পুশইন, মাদক পাচার, চামড়া পাচারসহ সব ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হচ্ছে। সীমান্তজুড়ে গোয়েন্দা তৎপরতা ও টহল কার্যক্রমও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে যশোরের কয়েকটি সীমান্ত এলাকা চামড়া পাচারের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে শার্শা উপজেলা–এর ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে কাশিপুর, শালকোনা, শিকারপুর, ধান্যখোলা, রঘুনাথপুর, পুটখালি, দৌলতপুর, সাদিপুর, ঘিবা, গোগা, রুদ্রপুর, অগ্রভুলোট, পাঁচভুলোট ও দাদখালি সীমান্ত এলাকায় বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।

বিজিবি জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে।