জিয়াউর রহমানের রাজনীতিই হোক আমাদের শপথ: প্রধানমন্ত্রী

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের মূল ভিত্তি ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসহায়দের সহযোগিতা করা এবং দেশ গঠনে নিজেকে উৎসর্গ করা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে এ আদর্শ ধারণ করাই সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত।

শনিবার (৩০ মে) রাজধানীতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে তার আদর্শকে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপি এখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। ফলে শুধু সরকারের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিলে চলবে না, দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকেও নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। মানবসেবা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান তিনি।

দেশ গঠনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে শুধু সরকার নয়, নাগরিক হিসেবেও সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের অগ্রগতি ও মানুষের কল্যাণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং জিয়ারত করেন তারা।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে একটি দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।