সাংবিধানিক নিয়মে যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
রোববার (২৩ আগস্ট) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘বিএনপি সরকার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে বদ্ধপরিকর। জনগণের অভিপ্রায় অনুযায়ী স্থানীয় সরকারের ৫টি ধাপে স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এসব নির্বাচনে যাতে সত্যিকার অর্থে জনমতের প্রতিফলন ঘটে, সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।’
মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই মন্ত্রণালয় একটি ব্যতিক্রমধর্মী মন্ত্রণালয়। জনগণকে সরাসরি সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা অগ্রগণ্য। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সঠিকভাবে কাজ করলে পুরো দেশ সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। কারণ, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে কাজ করে। মন্ত্রণালয় সফল হলে সরকারও সফল হবে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার সব মানুষের সেবা করবে। তবে, দরিদ্র মানুষের সেবাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিগত ১৭ বছরে ধনিক শ্রেণিকে সেবা দিতে গিয়ে দরিদ্র মানুষের অধিকার হরণ করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দরিদ্র মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করেছেন। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দরিদ্র মানুষের প্রয়োজন মেটানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হবে। দেশের জনগণই তার অগ্রাধিকার।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকার গঠন করেছে। ২০০৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চারটি নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়নি। দীর্ঘদিন পর ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকার অর্থে জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী সরকার কাজ করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নয়, সরকারের সব পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির জন্য সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে। বিএনপি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না; তারা আইনের শাসনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। সরকার সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।’