বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আন্দোলন ও সংগ্রাম হয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। এখন দেশ গঠন করতে হবে। স্বৈরাচারের কারণে আমাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়েছিল। এখন দেশ পুনর্গঠনে নিজেদের প্রতিনিধি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমি, তুমি ও ডামির নির্বাচন যখন হয়েছে, তখন সমস্যা নিয়ে জনপ্রতিনিধির কাছে যাওয়া যায়নি। গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভাষানটেকে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জনসভায় অংশ নেয়া মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, কৃষি ও অবকঠামোগত উন্নয়ন, বস্তিবাসীর পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিএনপি কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আপনাদের মুখ থেকে সমস্যা জানতে চাই। আমার প্রত্যাশা প্রতিটি জনপ্রতিনিধি আগামী দিনে জনগণের কাছে যাবেন, তাদের সমস্যা শুনে সমাধান করবেন।’
এ সময় নিজের পরিকল্পনা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কৃষকের জন্য বিশেষ কার্ড, ঋণের ব্যবস্থা করে কৃষির উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি। এছাড়া যুবকদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার ব্যবস্থা করে দক্ষ করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করতে চাই আমরা। যাতে ভবিষ্যতে তারা কর্মসংস্থান, বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে যাওয়া বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারে। নারীদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের ব্যবস্থা করাসহ তাদের ক্ষমতায়নে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়া বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে বিএনপি কাজ করবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
করব কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ এই শপথ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ধানের শীষকে যতবার জনগণ নির্বাচিত করেছে, ততবার উন্নতি হয়েছে মানুষের। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে সারাদেশে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। সবার আত্মীয় স্বজনকেও অনুরোধ করবেন, ধানের শীষে ভোট দিতে।
বক্তব্য শুরুর আগে ভাষাণটেকের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। তিনি একজন ভ্যানচালক, গৃহিণী, বস্তিবাসী, ছাত্রদের সঙ্গে ভাষাণটেকের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। পাশাপাশি নির্বাচিত হলে ও ক্ষমতায় গেলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।