দু-একটি অঘটনের কারণে গোটা আলেম সমাজ ও মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে শনিবার (৩ অক্টোবর) আয়োজিত জাতীয় মুফাসসির সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিন আয়োজিত সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমিন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মানুষকে আল্লাহর কালাম ও মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আমলের দিকে আহ্বান করার আগে প্রত্যেকের আত্মপর্যালোচনা করা জরুরি। তাফসিরের আসনে বসে এমন কোনো কথা বলা উচিত নয়, যা নিজের আমলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আগে নিজে আমল করতে হবে, এরপর অন্যকে আহ্বান করার অধিকার আসে। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত আত্মপর্যালোচনার পাশাপাশি মাদরাসা, খানকা, মারকাজ, আলিয়া ও কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতাও চিহ্নিত করতে হবে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানকে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তুলনা না করার আহ্বান জানান তিনি।
আলেম সমাজকে নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দুই-একটি অঘটনের দায়ে পুরো ওলামা সমাজকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করানো ঠিক নয়। মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার ক্ষেত্রেও একই বিষয় প্রযোজ্য। তিনি বলেন, ‘একটা কাপড় যদি গাঢ় রঙের হয়, সেখানে দাগ পড়লে ওটা বোঝা যায় না। আর কালো হলে তো কিছুই বোঝা যায় না। তো যাদের চরিত্র কালো, ওখান থেকে খুঁজে পাবেন না কিছুই আপনি। কিন্তু যার চরিত্র ভালো, ওখানে একটু হালকা দাগ লাগে, দেখা যাবে। কেয়ারফুল হতে হবে এই জায়গাটায়।’