সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হজযাত্রীদের জন্য হজ ভিসা ইস্যু শুরু করার তারিখ নির্ধারণ করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়।
গালফ নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর প্রায় চার মাস আগে থেকেই ভিসা কার্যক্রম শুরু হলো। এ সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হলো সেবা প্রস্তুতি জোরদার করা এবং হজযাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা। এই উদ্যোগ সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ রোডম্যাপের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় সব সেবার শতভাগ চুক্তি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ‘নুসুক’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে মক্কার সব আবাসন সংক্রান্ত চুক্তিও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী প্রায় সাত লাখ ৫০ হাজার হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এরমধ্যে নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি ৩০ হাজার হজযাত্রী হজ প্যাকেজ বুক করেছেন।
আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে প্রায় ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৭৩টি হজবিষয়ক দপ্তর তাদের প্রাথমিক চুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
এদিকে, বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের হজের জন্য নিবন্ধনকারী সরকারি-বেসরকারি সব হজযাত্রীর সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চলছে। সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা সম্পন্ন করে ফিটনেস সনদ নিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সব হজযাত্রীকে যে কোনো সরকারি হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নির্ধারিত টিকাকেন্দ্র থেকে টিকা নিয়ে ফিটনেস সনদ গ্রহণ এবং ২০ মার্চের মধ্যে ভিসার আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করে বলেছে, চলতি বছর ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো হজযাত্রী হজে যেতে পারবেন না। সৌদি আরবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। বাংলাদেশ থেকে চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হচ্ছে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে।