দেশের স্মার্টফোন বাজারে নতুন ডিজাইন ও আধুনিক ফিচারের সমন্বয়ে ভিভো ভি৮০ লাইট আনতে যাচ্ছে ভিভো। ফোনটির অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে থাকছে কার্ভড ডিসপ্লে, আল্ট্রা-স্লিম ইউনিবডি ডিজাইন এবং নতুন ধরনের স্কাইলাইন ক্যামেরা।
তরুণ প্রজন্মের পেশাজীবীদের জীবনযাপন ও ব্যক্তিত্বকে গুরুত্ব দিয়ে ভিভো ভি৮০ লাইট তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কর্মজীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও যারা নিজেদের স্টাইল ও পছন্দকে গুরুত্ব দেন, তাদের কথা মাথায় রেখেই ফোনটির নকশা করা হয়েছে।
ভিভো ভি৮০ লাইটের বিশেষত্বের মধ্যে রয়েছে কার্ভড ডিসপ্লে। ডিসপ্লের বাঁকানো প্রান্ত ফোনটির বডির সঙ্গে মিশে গিয়ে প্রিমিয়াম লুক তৈরি করেছে। পাশাপাশি আল্ট্রা-স্লিম ইউনিবডি ডিজাইনের কারণে ফোনটি হাতে ধরতেও আরামদায়ক হবে বলে জানিয়েছে ভিভো।
ফোনটির ইজি গ্রিপ সুবিধা স্ক্রলিং, টেক্সটিং, কথা বলা কিংবা চলার পথে ফোন ব্যবহারে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য দেবে। কার্ভড ডিসপ্লের কারণে ভিডিও দেখা ও অন্যান্য কনটেন্ট উপভোগের অভিজ্ঞতাও আরও স্মুথ হবে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
ডিজাইনের পাশাপাশি ফোনটির পেছনে যুক্ত করা হয়েছে স্কাইলাইন ক্যামেরা। আড়াআড়ি ক্যামেরা মডিউল এবং আলো প্রতিফলনের বিশেষ নকশা ফোনটির পেছনের অংশকে আলাদা মাত্রা দেবে। বিভিন্ন কোণ থেকে দেখলে ক্যামেরা অংশের নকশা আরও আকর্ষণীয়ভাবে ফুটে উঠবে।
ভিভো ভি৮০ লাইট পাওয়া যাবে সিল্ক হোয়াইট ও স্যাফায়ার ব্লু এই দুটি রঙে। ভিভোর ভাষ্য, সিল্ক হোয়াইট রঙে ফোনটিতে মার্জিত আবহ পাওয়া যাবে, আর স্যাফায়ার ব্লু রঙে থাকবে তুলনামূলক গাঢ় ও আকর্ষণীয় লুক। ফলে আনুষ্ঠানিক পোশাক কিংবা ক্যাজুয়াল স্টাইল দুই ক্ষেত্রেই ফোনটি মানিয়ে যাবে।
ভিভো জানিয়েছে, নতুন ফোনটিতে কার্ভড ডিসপ্লে, পাতলা বডি, ইজি গ্রিপ, স্কাইলাইন ক্যামেরা ও আকর্ষণীয় ফিনিশিংয়ের সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন প্রজন্মের ব্যবহারকারীদের জন্য এসব সুবিধা স্মার্টফোন ব্যবহারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।
ভিভো সম্পর্কে
ভিভো প্রযুক্তিনির্ভর একটি প্রতিষ্ঠান, যা ব্যবহারকারীর প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিস তৈরি করে। প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে ফাইভজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন, ফটোগ্রাফিসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হয়।
ভিভোর ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে শেনজেন, ডংগুয়ান, নানজিং, বেইজিং, হাংঝু, সাংহাই, শিয়ান, তাইপে, টোকিও ও সান ডিয়াগোতে। চীন, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির পাঁচটি উৎপাদনকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে বছরে প্রায় ২০ কোটি স্মার্টফোন উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছে ভিভো।
বর্তমানে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশে ভিভোর বিক্রয় নেটওয়ার্ক রয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে ৪০ কোটির বেশি মানুষ ভিভোর স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন বলে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।