বাংলাদেশের খেলাধুলাকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ সংরক্ষণ এবং প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি তৃণমূল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার কার্যক্রম চলছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) শরীয়তপুরের সখিপুরের হাবিব উল্যা ডিগ্রি কলেজ মাঠে হাবিব উল্ল্যা চোকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
আমিনুল হক বলেন, মাঠে বিপুলসংখ্যক দর্শকের উপস্থিতি প্রমাণ করে, বাংলাদেশের ফুটবল ও খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ এখনো অনেক বেশি। এই আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে দেশের খেলাধুলাকে আরও এগিয়ে নিতে চান তাঁরা।
তিনি বলেন, দেশে ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়ন রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মাঠ সংরক্ষণের মাধ্যমে খেলাধুলার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তৃণমূল থেকে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনাই তাঁদের লক্ষ্য। শুধু রাজধানী বা বড় শহর নয়, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রতিভাবান তরুণদেরও জাতীয় পর্যায়ে সুযোগ করে দিতে হবে।
খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন আমিনুল হক। তিনি বলেন, তরুণদের খেলাধুলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত করতে হবে। এতে তাদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণ ও মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে।
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মধ্য দিয়ে যুবসমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজের দিকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান তাঁরা।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ ও সাঈদ আহমেদ আসলামসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।