১৯৩০ সালের ১৩ জুলাই উরুগুয়ের মাটিতে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের যাত্রা। উদ্বোধনী দিনেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল দুটি ম্যাচ, ফ্রান্স ৪-১ গোলে হারিয়েছিল মেক্সিকোকে, আর যুক্তরাষ্ট্র ৩-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল বেলজিয়ামকে। সেই শুরু থেকে প্রায় এক শতাব্দীর পথচলা পেরিয়ে বিশ্বকাপ এখন ছুঁতে যাচ্ছে নতুন এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
বাংলাদেশ সময় রোববার (২১ জুন) মেক্সিকোর মন্টেরে স্টেডিয়ামে জাপান ও তিউনিসিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি হবে ফিফা বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১,০০০তম ম্যাচ।
ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের এই বিশেষ উপলক্ষকে ঘিরে উচ্ছ্বাস দুই শিবিরেই। তিউনিসিয়ার অধিনায়ক এলিয়েস স্কিরি মনে করেন, এমন একটি ম্যাচে অংশ নেওয়া বিশ্বকাপের গৌরবময় ইতিহাসের অংশ হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি।
অন্যদিকে জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু এটিকে শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং এশিয়ার ফুটবলের জন্যও সম্মানের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।
বিশ্বকাপের প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল মাত্র ১৩টি দেশ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলের বৈশ্বিক বিস্তার ঘটেছে অভাবনীয়ভাবে। বর্তমানে ফিফার সদস্য ফেডারেশনের সংখ্যা ২০০-এরও বেশি, আর ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে রেকর্ড ৪৮টি দল।
ফলে জাপান-তিউনিসিয়ার ম্যাচটি শুধু একটি গ্রুপ পর্বের লড়াই নয়, বরং বিশ্বকাপের বিবর্তন, বিস্তার এবং বৈশ্বিক অন্তর্ভুক্তির প্রতীক হিসেবেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রায় ৯৬ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় অসংখ্য কিংবদন্তি, অবিস্মরণীয় গোল, নাটকীয় মুহূর্ত ও ঐতিহাসিক ম্যাচ উপহার দিয়েছে বিশ্বকাপ। সেই মহাকাব্যের নতুন অধ্যায়ে এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে আরেকটি সংখ্যা ১,০০০।