অস্বাভাবিক লম্বা চুল নিয়ে অদ্ভুত কাণ্ড, প্রতিপক্ষকে জোড়া লাল কার্ড

ফুটবল মাঠে ফাউল, তর্ক কিংবা লাল কার্ড দেখা নতুন কিছু নয়। তবে অস্বাভাবিক লম্বা চুলের কারণে এক ম্যাচে দুই খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখার ঘটনা বেশ বিরল। কনকাকাফ নেশনস লিগের অ্যান্টিগা ও বারবুডা অ্যাঙ্গুইলা ম্যাচে ঘটেছে এমনই অদ্ভুত কাণ্ড। অ্যাঙ্গুইলার ফুটবলার এইডান স্কিপিওর লম্বা চুল টানার ঘটনায় অ্যান্টিগা ও বারবুডার দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখেছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে লিগ ‘সি’-এর ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে অ্যাঙ্গুইলাকে ৫–০ গোলে হারিয়েছে অ্যান্টিগা ও বারবুডা। তবে বড় ব্যবধানে জয়ের ম্যাচটিতে শেষ দিকে চুল টানাটানির ঘটনায় ঘটে অদ্ভুত পরিস্থিতি।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন স্কিপিও। তখন তার দল ৫ গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে। মাঠে নামার পর তার খেলার চেয়ে বেশি নজর কাড়ে পেছনে বাঁধা অস্বাভাবিক লম্বা চুল। চুলের দৈর্ঘ্য এতটাই বেশি যে বাঁধা অবস্থাতেও সেটি মাটি থেকে মাত্র কয়েক ইঞ্চি ওপরে থাকে।

এর দুই মিনিট পর, অর্থাৎ ৭১ মিনিটে বল হারানোর পর স্কিপিওকে থামাতে পেছন থেকে তার চুল ধরে টান দেন কিওন গ্রিন। ঘটনাটি রেফারির চোখে পড়লে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়। ফলে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন অ্যান্টিগা ও বারবুডার এই ফুটবলার।

তবে চুল টানার ঘটনা সেখানেই শেষ হয়নি। ম্যাচের যোগ করা সময়ে আবারও স্কিপিওর চুল ধরে টানার ঘটনা ঘটে। এবার শালন নাইট চুল ধরে টেনে তাকে পেছনে ফেলে দেন। মাটিতে পড়ে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান স্কিপিও। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে রেফারি নাইটকেও সরাসরি লাল কার্ড দেখান।

এর ফলে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে নয়জনের দলে পরিণত হয় অ্যান্টিগা ও বারবুডা। তবে দুই খেলোয়াড় কম নিয়েও ৫–০ গোলের ব্যবধান ধরে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।