দেশের বাজারে বড় আকারে বাড়ানো হয়েছে সোনার দাম। গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ভরিতে ৬ হাজার ২৯৯ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সবশেষ সমন্বয় করা দামেই দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতু বিক্রি হচ্ছে। সবশেষ সমন্বয়কৃত দাম অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে রুপাও।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে সবশেষ চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।
আজ থেকে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২ বার সমন্বয় করা হয়েছে সোনার দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৩ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
গত ২৩ জানুয়ারি দেশের বাজারে বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৫২৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকায়; যা দেশের ইতিহাসে রুপার সর্বোচ্চ দাম।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৯৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।