মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার মধ্যেই বিশ্ববাজারে সোনার দামে পতন লক্ষ্য করা গেছে। একই সময়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেলের দাম এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের মান উভয়ই ঊর্ধ্বমুখী।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই বাজার পরিস্থিতির তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে আজ সোনার দাম ০.৭ শতাংশ কমেছে। এর ফলে প্রতি আউন্স সোনার দাম চার হাজার ৭৯২ ডলারে নেমে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত সোনার দাম প্রায় ৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষক ইলিয়া স্পিভাক জানান, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির ইতিবাচক প্রভাব বাজার থেকে দ্রুত ফিকে হয়ে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন ‘যুদ্ধভিত্তিক লেনদেনের’ (War-based trading) দিকে ঝুঁকছেন। একদিকে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় তেলের দাম বাড়ছে, অন্যদিকে ডলার শক্তিশালী হওয়ায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার আকর্ষণ কিছুটা কমেছে।
সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও আজ নিম্নমুখী। রুপা ১.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৯.৪৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্লাটিনাম ১.৩ শতাংশ কমে ২,০৭৬.৯২ ডলারে নেমেছে। প্যালাডিয়াম ১ শতাংশ কমে ১,৫৪৩.৭৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। সূত্র: রয়টার্স