সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় (Waiver) নিশ্চিত করতে পেরেছে। আর এই খবরের পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ঘাটতি নিয়ে তৈরি হওয়া আশঙ্কা কেটে যাওয়ায় দাম কমতে শুরু করে।
গ্রিনিচ মান সময় (GMT) ০৬:৩৩ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১.৬৮ ডলার বা ২.০৯ শতাংশ কমে ৭৮.৮৯ ডলারে নেমে আসে।
এর আগে, আলোচনার শুরুতে কিছুটা অচলাবস্থা ও উত্তেজনার কারণে লেনদেনের শুরুতে তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২.৩০ ডলারে উঠেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনরায় ইরানের ওপর যুদ্ধ শুরুর হুমকি এবং তেহরান কর্তৃক আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণার পর বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছিল। তবে আলোচনা ইতিবাচকভাবে শেষ হওয়ায় দাম দ্রুত কমতে শুরু করে।
নয়া দিল্লিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘এসএস ওয়েলথস্ট্রিট’-এর প্রতিষ্ঠাতা সুগন্ধা সচদেবা এই পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে বলেন, “মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটার ইতিবাচক পূর্বাভাসের কারণেই তেলের দামে এই পতন হয়েছে। এটি ইরানের ওপর থেকে শেষ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার আশাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে।” সূত্র: আল জাজিরা