বিজিএমইএর পরিসংখ্যান

৩০৬ পোশাক কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক

মজুরি ইস্যুতে পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ টানা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। মঙ্গলবারও (৩ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে শ্রমিকেরা কাজ না করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান। কোথাও কোথাও তারা সড়কে নেমে বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন। এতে বিভিন্ন এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে বেশ কয়েকটি কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। দুপুর একটা পর্যন্ত ৩০৬টি কারখানা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন মালিকেরা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১৬১টি কারখানা গাজীপুর অঞ্চলের। আশুলিয়া অঞ্চলে বন্ধ রয়েছে ৯৩টি এবং রাজধানীর মিরপুরে ৫২টি কারখানা। এসব কারখানায় প্রায় সাত লাখ শ্রমিক কাজ করেন। তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজিএমইএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত। সোমবার মোট ৬৭৯টি কারখানায় কাজ বন্ধ ছিল। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সেখানকার সব কারখানায় উৎপাদন চলছে।

মাসিক ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে গত দুই সপ্তাহ ধরে পোশাকশিল্পে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। শ্রমিকদের অন্য দাবির মধ্যে রয়েছে কালোতালিকা বাতিল ও ছাঁটাই বন্ধ করা। শ্রমিকদের অভিযোগ, কোনো কারখানায় কালোতালিকাভুক্ত হলে অন্য কারখানায়ও তারা কাজ পান না। গত চার দিনে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে গত রোববার সরকার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেয়। তবে এরপরও শ্রমিকদের আন্দোলন থামেনি।