কুয়েতজুড়ে বিমান হামলার সাইরেন বাজছে। এই সাইরেন বাজার অর্থ হলো আকাশপথে যেকোনো সময় বড় ধরনের হামলা হতে পারে। এটি এখন সেখানকার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মূলত খামেনি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান তাদের পাল্টা হামলা অব্যাহত রাখায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা অ্যারাবিক।
জানা গেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, তা এখন প্রতিবেশী কুয়েত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। ইরান তার শীর্ষ নেতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কুয়েতজুড়ে উচ্চ সতর্কবার্তা হিসেবে বিমান হামলার সাইরেন বাজানো হয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে আরও জানা গেছে, কুয়েতে বড় আকারের মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভূমি ব্যবহার করতে দিচ্ছে, তারাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। ফলে কুয়েতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে।
আঞ্চলিক সংকট:
কাতার ও কুয়েতের মতো পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো এই সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি এবং স্থিতিশীলতা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। কুয়েত সরকার ইতিমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে এবং নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই পরিস্থিতিকে একটি ‘পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করছে।