ইরানের সঙ্গে এই যুদ্ধ শেষে আগের চেয়ে আরও কট্টরপন্থী ও পারমাণবিক অস্ত্রের দিকে ঝুঁকে পড়া একটি ইসলামি শাসন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর (আইডিএফ)।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) আইডিএফ সূত্রে জানানো হয়েছে এই মূল্যায়ন।
সূত্রটি পরিষ্কার করে জানিয়েছে, এটি সম্ভাব্য ফলাফলের পূর্বাভাস নয়। বরং যুদ্ধের এই সংবেদনশীল পর্যায়ে বিভিন্ন সম্ভাব্য পরিণতির সৎ মূল্যায়ন।
১০ হাজারেরও বেশি ইসরায়েলি হামলা ও ৮ হাজারেরও বেশি মার্কিন হামলা ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাত করার জন্য পর্যাপ্ত কি না তা নিয়ে আইডিএফের কেউই নিশ্চিত নয়।
আইডিএফ বলেছে, ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর প্রাথমিক হামলায় শীর্ষ ইরানি নেতা, আকাশ প্রতিরক্ষা ও ব্যালিস্টিক মিসাইল ধ্বংসের পর দ্রুত মনোযোগ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আইআরজিসি, বাসিজ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা মন্ত্রণালয়ের কমান্ড কেন্দ্র ধ্বংসের দিকে। এগুলো বিরোধী দমনের মূল হাতিয়ার। গত সপ্তাহে ছোট ছোট চেকপয়েন্টেও হামলার ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
তবে ইসরায়েলের একটি বড় উদ্বেগ রয়ে গেছে। ইসফাহান ও পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখনো অক্ষত। মার্কিন সর্বাধুনিক বাংকার ব্লাস্টারও হয়তো এটি ভেদ করতে পারবে না। যুদ্ধ শেষের আগে এই পারমাণবিক হুমকি মোকাবেলা করা হবে কি না, আইডিএফ তা নিশ্চিত করেনি।
মোজতবা খামেনিকে তার বাবার চেয়েও বেশি কট্টর এবং পশ্চিম ও ইসরায়েলবিরোধী হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলী লারিজানির মৃত্যুর পর এই পদে আসার আলোচনায় আছেন সাঈদ জালিলি।
মোজতবার মতো তিনিও পূর্বসূরির চেয়ে বেশি কট্টর বলেই দেখা হচ্ছে পশ্চিমে। ফলে পারমাণবিক অস্ত্রসহ যেকোনো অস্ত্র ব্যবহারে ইরান বেশি উদ্যত বলে মনে করা হচ্ছে এখন। এই দুটি বিষয় মিলিয়ে একটি দুঃস্বপ্নের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে শঙ্কা বিরাজ করছে ইসরায়েলে।