সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সরকার সরকারি কর্মচারীদের বিদেশি নাগরিক বিয়ে করার ক্ষেত্রে নতুন একটি আইন অনুমোদন করেছে। এ আইনের ফলে এখন থেকে প্রদেশের সরকারি চাকরিজীবীরা চাইলেই অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করতে পারবেন না।
মুখ্যমন্ত্রী সোহাইল আফ্রিদির অনুমোদনে এ আইনটি কার্যকর করা হয়েছে, যা সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত জীবনেও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার একটি বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ আইনের কারণে কোনো সরকারি কর্মচারী যদি কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করতে চান, তবে তাকে অবশ্যই বিয়ের আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নিতে হবে।
কর্মকর্তাদের মতে, আবেদনের পর বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পর্যালোচিত হবে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে তবেই বিয়ের অনুমতি দেওয়া হবে।
সরকারি কর্মকর্তাদের গতিবিধি এবং তাদের পারিবারিক বন্ধন যেন রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থি না হয়, সেই লক্ষ্যেই এই প্রশাসনিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে।
নতুন এ আইনে কোনো ফাঁকফোকর রাখা হয়নি। যদি কোনো কর্মচারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করেন, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অনুমতি ছাড়া বিয়ে করাকে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
অভিযুক্ত কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত ও আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা (যেমন সাময়িক বরখাস্ত বা পদাবনতি) নেওয়া হতে পারে।
প্রাদেশিক সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ নিয়মগুলো কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে। জনসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রতি দায়বদ্ধ রাখতেই এই নীতিগত পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে প্রাদেশিক সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়। সূত্র: সামা টিভি