বিশ্বজুড়ে থাকা ইরানের বিভিন্ন দূতাবাসের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলো থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে অনবরত কটাক্ষ ও ট্রল করা হচ্ছে।
তেহরানের নেতৃত্ব যে কোনোভাবেই দুর্বল হয়ে পড়েনি—মূলত সেই অবাধ্যতা ও প্রতিরোধের বার্তা দিতে এবং মার্কিন-ইসরায়েলি ন্যারেটিভকে কাউন্টার বা নস্যাৎ করতেই ইরানের পক্ষ থেকে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুদ্ধ চালানো হচ্ছে।
উজবেকিস্তানের তাশখন্দে অবস্থিত ইরানি দূতাবাসের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একটি বিতর্কিত ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে—ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মাথার ভেতরে বসে আছেন এবং তিনি ট্রাম্পের সমস্ত সিদ্ধান্ত ও নীতি পরিচালনা করছেন। আমেরিকার নীতি নির্ধারণে ইসরায়েলের পরোক্ষ প্রভাবের দিকে ইঙ্গিত করতেই এই ছবি পোস্ট করেছে তারা।
এদিকে রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানি দূতাবাস একটি বিশেষ ভিডিও শেয়ার করে ট্রাম্প ও ইরানি প্রেসিডেন্টের পটভূমির তুলনা করেছে।
ভিডিওটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অতীতের ডব্লিউডব্লিউই (WWE) কুস্তির রিংয়ের একটি পর্বের সাথে ইরানের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের একজন সার্জন বা চিকিৎসক হিসেবে অতীতের সেরা মুহূর্তগুলোকে জোড়া দিয়ে (স্লাইস করে) একটি বৈপরীত্য তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা বোঝাতে চেয়েছে—একজনের ব্যাকগ্রাউন্ড চিকিৎসায়, আর অন্যজনের ব্যাকগ্রাউন্ড রেসলিংয়ে।
ট্রাম্পকে নিয়ে ট্রল করার এই ধারায় রাশিয়ার সেই ইরানি দূতাবাস অ্যাকাউন্ট থেকে আরও একটি পোস্ট করা হয়। ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে—বাংলাদেশে এমন একটি মহিষের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার অবয়ব বা চেহারার সাথে হুবহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিল রয়েছে।