ইরানের বিরুদ্ধে চালানো মার্কিন সামরিক অভিযান প্রমাণ করেছে যে, শুধু বিমান হামলার মাধ্যমে যুদ্ধজয়ের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনের সাবেক কর্মকর্তা অ্যাডাম ক্লেমেন্টস আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মূল্যায়ন করেছেন।
জর্ডান ও ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ডিফেন্স অ্যাটাশে হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ক্লেমেন্টস মার্কিন সামরিক কৌশলের এই ঘাটতিগুলো তুলে ধরেন।
অ্যাডাম ক্লেমেন্টস আল জাজিরাকে বলেন, "কেবলমাত্র একটি বিমান অভিযানের কিছু নিজস্ব সীমাবদ্ধতা থাকে।"
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, মার্কিন এই বিমান অভিযানের ফলে হয়তো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার কিছুটা ক্ষতি ঘটানো সম্ভব হয়েছে, কিন্তু ইরান তাদের সব সামরিক শক্তি হারায়নি। তেহরান তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের একটি বড় অংশ নিরাপদ স্থানে লুকিয়ে রেখেছে অথবা ভবিষ্যতের জন্য অন্তত রিজার্ভ বা সংরক্ষণ করে রেখেছে।
পেন্টাগনের এই সাবেক কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের প্রভাব কেবল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা এই অঞ্চলের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক দূরে ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, "এমনকি দক্ষিণ দেশগুলো, যারা এই যুদ্ধের সাথে সরাসরি জড়িত নয়, তারাও এর অর্থনৈতিক প্রভাবের কারণে পরোক্ষভাবে এই সংকটের অংশ হয়ে পড়েছে।" ফলে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করতে গেলে শুধু সামরিক দিকটি দেখলেই হবে না, বরং এর সাথে জড়িয়ে থাকা এই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাবগুলোকেও হিসাবে নিতে হবে। সূত্র: আল জাজিরা