পেরুর পার্বত্য অঞ্চলে পরপর দুটি ভূমিকম্পে অন্তত ৬ জন নিহত ও ২১ জন আহত হয়েছেন। দেশটির বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান রোববার (১৯ জুলাই) এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার (১৮ জুলাই) রাতে জুনিন অঞ্চলের চুপাকা প্রদেশে ৫ দশমিক ১ ও ৩ দশমিক ৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে পেরুর জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্র। অঞ্চলটি রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।
জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের এক্স পোস্টে জানানো হয়, প্রথম ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২৪ কিলোমিটার গভীরে এবং দ্বিতীয়টির গভীরতা ছিল ১৮ কিলোমিটার। তবে ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র (ইএমএসসি) প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৬ বলে জানিয়েছিল।
পেরুর জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা ইনস্টিটিউটের প্রধান লুইস ভাসকেস স্থানীয় রেডিও স্টেশন এক্সিতোসাকে জানান, প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৪৮টি বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও ১৮টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৩০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যাদের তাঁবু দিয়ে অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত চুপাকা এলাকার অনেক বাড়িই মাটির তৈরি ইটের তৈরি হওয়ায় ভূমিকম্পে সেগুলো সহজেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্ধারকর্মী ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা রোববার ভোরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করেন। আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পেরু প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। বিশ্বের মোট ভূকম্পন কার্যক্রমের প্রায় ৮৫ শতাংশ এই অঞ্চলে ঘটে।