পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন চরম উত্তপ্ত। বিশেষ করে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে কেন্দ্র করে ইরানের আক্রমণাত্মক অবস্থান নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
তেহরানের অভিযোগ, তাদের মূল ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় কুয়েত সরাসরি লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করেছে।
আঞ্চলিক উত্তেজনার মাঝে কাতার ও সৌদি আরব নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারে কিছুটা কড়াকড়ি আরোপ করলেও ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছে কুয়েত ও বাহরাইন। দেশ দুটি মার্কিন বাহিনীকে অবাধ সুবিধাদি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।
এর ফলে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে জায়গা দেবে, তারা সরাসরি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
ইরান তাদের সামরিক কৌশলে এনেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। শুধু প্রতিপক্ষের অস্ত্র ধ্বংস নয়, বরং মার্কিন বাহিনীর কমান্ড সেন্টারে আঘাত হানা এখন তাদের প্রথম অগ্রাধিকার।
যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমানের অর্থনীতি এবং অবকাঠামো ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।