ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত।
সম্প্রতি ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ (INSS) আয়োজিত ন্যাশনাল সিকিউরিটি কনফারেন্সে তিনি এ কথা বলেন।
বর্তমানে "বেয়াচাদ" (টুগেদার) পার্টির চেয়ারম্যান পদে থাকা বেনেত কাতারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে অর্থায়ন ও বিশ্বব্যাপী ইসরায়েলবিরোধী প্রচারণার অভিযোগ তোলেন।
তিনি বলেন, কাতার একটি হিংসাত্মক ইহুদি-বিরোধী ক্যান্সার যা ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চায়।
বেনেতের দাবি, এই ক্যান্সারের প্রভাব পশ্চিমে এবং এমনকি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়েও বিস্তার লাভ করেছে। ৭ অক্টোবরের হামলায় নিহত, ধর্ষিত ও অপহৃত ইসরায়েলিদের রক্তের দায় কাতারের ওপর বর্তায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তার মতে, কাতার কেবল হামাসকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তাই দিচ্ছে না, বরং বহু বছর ধরে ইসরায়েলকে দুর্বল করতে বিশ্বজুড়ে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। এই উদ্দেশ্যে তারা 'আল জাজিরা' মিডিয়া নেটওয়ার্ককে অর্থায়ন করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, ৭ অক্টোবরের ঘটনা নিয়ে কোনো মৌলিক তদন্ত কমিশন গঠিত হলেও তাদের প্রথম সিদ্ধান্ত হতো কাতারকে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র ঘোষণা করা। কাতারের এসব কর্মকাণ্ড ইসরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্বেরই পরিপন্থী বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তথ্যসূত্র: ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্টাডিজ (INSS) ন্যাশনাল সিকিউরিটি কনফারেন্সে নাফতালি বেনেতের বক্তব্য।