জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বক্তব্য দেওয়ার কথা ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের। একই দিনের কর্মসূচিতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিরও বক্তব্য রয়েছে।
ফলে ট্রাম্পের বক্তব্যের পর পেজেশকিয়ানের ভাষণ স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। তেহরান ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান, অবরোধ এবং আলোচনার শর্ত নিয়ে নিজেদের অবস্থান প্রকাশ করেছে। পেজেশকিয়ান জাতিসংঘের মঞ্চে সেসব অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে পারেন।
ইরানের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে বলা হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধ, মার্কিন সামরিক চাপ ও নৌ অবরোধের অবসান এবং জব্দ ইরানি সম্পদ ছাড়সহ কয়েকটি বিষয় আলোচনায় ফেরার গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। অন্যদিকে ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখতে চাইছে।
মিনাব হামলা নিয়ে কী বলবে ইরান?
পেজেশকিয়ানের বক্তব্যে ইরানে মার্কিন হামলা এবং বেসামরিক হতাহতের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে মিনাবের একটি স্কুলে হামলার ঘটনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনায় এসেছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশন ইরানের দুটি হামলার ক্ষেত্রে মার্কিন বাহিনী যুদ্ধাপরাধ করেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য ‘যুক্তিসংগত ভিত্তি’ থাকার কথা জানিয়েছে; এর একটি ছিল মিনাবের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা। তবে কোনো ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়।
সুতরাং পেজেশকিয়ান যদি মিনাবের ঘটনা জাতিসংঘে তুলে ধরেন, সেটি হবে তেহরানের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক জনমত ও আইনি জবাবদিহির প্রশ্ন সামনে আনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা।