যেকোনো ধরনের আগ্রাসন বা হুমকির বিরুদ্ধে ‘বেদনাদায়ক ও ধ্বংসাত্মক জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, “বিনা মূল্যে হুমকি দেওয়ার যুগ শেষ। যেকোনো আগ্রাসনের জবাব হবে বেদনাদায়ক ও ধ্বংসাত্মক।”
অপারেশন ‘ট্রু প্রমিস-২’-এর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ওই অভিযান শুধু শত্রুর আগ্রাসন ও অপরাধের জবাবে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ ছিল না; আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ‘মারাত্মক নীরবতার’ মধ্যেও এটি ইরানি জনগণের শত্রুদের, বিশেষ করে ইসরায়েলের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা ছিল।
আইআরজিসির দাবি, ওই কৌশলগত অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরা হয়েছিল। সংগঠনটি আরও বলেছে, বর্তমানে আইআরজিসি ইরানের শক্তির অন্যতম প্রধান স্তম্ভে পরিণত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সম্পদ ও অবস্থান সম্পর্কে তাদের কাছে ‘পূর্ণ গোয়েন্দা আধিপত্য’ রয়েছে। সম্ভাব্য কোনো হুমকি, আগ্রাসন বা ‘ভুল হিসাবের’ জবাবে তারা তাৎক্ষণিক, নির্ণায়ক ও আরও ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রস্তুত।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ‘ট্রু প্রমিস-২’ অভিযানের চেয়েও বেশি প্রাণঘাতী হতে পারে।
বিবৃতিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোতে নিহত ইরানের সামরিক বাহিনীর জ্যেষ্ঠ কমান্ডারদের পাশাপাশি নিহত নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির প্রতিও শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।
সূত্র: ইরনা