কোরীয় উপদ্বীপে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূলের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) জানিয়েছে, রাজধানী পিয়ংইয়ং অঞ্চল থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ৯০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়েছে।
জাপানের কোস্টগার্ডও সোমবার জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া দুটি অজ্ঞাত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যা সাগরে পতিত হয়েছে। এই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব লঙ্ঘনের দায়ে কিম জং উনের সরকারের সমালোচনা করে অবিলম্বে সব ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জ্যাং ডো-ইয়ং জানান, অতি সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সফল হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাবেই মূলত পিয়ংইয়ং তাদের এই শক্তির মহড়া দিল। গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং স্বয়ং উপস্থিত থেকে দেশটির প্রথম হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন।
পাশাপাশি, সীমান্তবর্তী সামরিক মুক্ত অঞ্চলে (ডিএমজেড) ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন দক্ষিণ কোরীয় সেনা আহত হওয়ার ঘটনা এবং উত্তর-দক্ষিণ কোরিয়ার পাল্টাপাল্টি সামরিক পরীক্ষার দরুন উভয় দেশের মধ্যকার উত্তেজনা এখন চরম আকার ধারণ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়াং পিয়ংইয়ংয়ের সাথে পুনরায় আলোচনার প্রতিশ্রুতি দিলেও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: আল-জাজিরা