ইরানের নৌবাহিনী ‘সমুদ্রের তলদেশে’ রয়েছে: ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ন্যাটোর কাছে সহায়তা চাওয়ার মাধ্যমে সামরিক জোটটিকে ‘পরীক্ষা’ করছিল যুক্তরাষ্ট্র এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের ওই সহায়তার প্রয়োজন ছিল না; বরং ন্যাটোর ভূমিকা যাচাই করতেই সহায়তা চাওয়া হয়েছিল।

কানসাসে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যখন ইরানের বিষয়ে সহায়তা চেয়েছিলাম, তখন সেই সহায়তার প্রয়োজন ছিল না। তবে আমি পরীক্ষা করছিলাম।’ এ সময় ন্যাটোর পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

সমাবেশে ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, ইরানের নৌবাহিনী কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে। তাঁর ভাষায়, ইরানের নৌবাহিনী ‘সমুদ্রের তলদেশে’ রয়েছে। এ ছাড়া ইরানের ২২৯টি যুদ্ধবিমান দেশটির বিভিন্ন রানওয়েতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এসব দাবির পক্ষে তিনি সমাবেশে বিস্তারিত প্রমাণ তুলে ধরেননি।

ইরানের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নিয়েও অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘আমি জানি না, কার সঙ্গে আলোচনা করব।’

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের নেতৃত্বের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যক্তিরা ‘চলে গেছেন’ এবং তৃতীয় পর্যায়ের নেতৃত্বের অর্ধেকও আর নেই। তবে তাঁর এই বক্তব্যে কোন কোন নেতাকে বোঝানো হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

ট্রাম্পের বক্তব্যে একদিকে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও নেতৃত্বের ক্ষয়ক্ষতির দাবি উঠে এসেছে, অন্যদিকে ন্যাটোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মিত্রদের কাছ থেকে সহায়তা চাওয়ার বিষয়ে তাঁর এই ব্যাখ্যা সামরিক জোটটির ভূমিকা নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও সামনে আনতে পারে।