ইরানে আবারও হামলার সিদ্ধান্ত নিতে হলে তিনি নিঃসন্দেহে একই সিদ্ধান্ত নিতেন বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেওয়া বক্তব্যে তিনি ইরানে হামলাকে নিজের নেওয়া ‘সেরা কাজগুলোর অন্যতম’ বলেও বর্ণনা করেন।
ট্রাম্প বলেন, এই সামরিক পদক্ষেপের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ দীর্ঘমেয়াদি লাভের জন্য সাময়িক কষ্টমাত্র। একই সঙ্গে তিনি পূর্বাভাস দেন, শিগগিরই পেট্রোলের দাম কমতে শুরু করবে। ইরানে আবার হামলা চালানোর বিষয়ে একই সিদ্ধান্ত নিতেন কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন- “অবশ্যই।” তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া ছিল তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
ইরানকে ঘিরে সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা দীর্ঘমেয়াদি সুফলের তুলনায় সাময়িক বলে তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্পের ভাষায়, এটি ‘দীর্ঘমেয়াদি লাভের’ জন্য ‘স্বল্পমেয়াদি কষ্ট’। তিনি আরও দাবি করেন, পেট্রোলের দাম শিগগিরই কমবে। তবে জ্বালানির দাম কমার বিষয়ে তার পূর্বাভাস বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে আন্তর্জাতিক তেলের সরবরাহ, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, পরিবহনব্যয় এবং বাজারের প্রতিক্রিয়ার ওপর।
ইরানে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে ট্রাম্পের এই বক্তব্যে নিরাপত্তা ও কৌশলগত লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে, সংঘাতের অর্থনৈতিক মূল্য, বিশেষ করে জ্বালানির দাম ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।