স্ত্রী যদি স্বামীর পাশে না দাঁড়ান, নতুন কাউকে খুঁজুন: কেটি মিলার

হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ পদে স্বামী স্টিফেন মিলারকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য তদবির করার অভিযোগের পক্ষে সাফাই দিয়েছেন কেটি মিলার। তার বক্তব্য, একজন স্ত্রীর উচিত স্বামীর পাশে দাঁড়ানো। আর কোনো স্ত্রী যদি তা না করেন, তাহলে তার স্বামীর নতুন জীবনসঙ্গী খুঁজে নেওয়া উচিত। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে কেটি মিলার লেখেন, ‘স্ত্রী স্বামীকে সমর্থন করেন। আপনার স্ত্রী যদি এমনটা না করেন, তাহলে নতুন কাউকে খুঁজুন।’

পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউসের বর্তমান চিফ অব স্টাফ সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে স্বামী স্টিফেন মিলারের নাম বিবেচনায় আনতে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কেটি। এ বিষয়ে অবগত দুজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, এক যোগাযোগকারীর কাছে তিনি বলেছিলেন, সুসি ওয়াইলস পদ ছাড়লে স্টিফেনেরই ওই পদে আসা উচিত। বার্তাটি যেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হয়, সে অনুরোধও করেছিলেন তিনি।

পলিটিকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুসি ওয়াইলসের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে কয়েকজনের নাম ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করেছেন ট্রাম্প। তাদের মধ্যে রয়েছেন ফেডারেল হাউজিং ফাইন্যান্স এজেন্সির পরিচালক বিল পুলটে, প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, সাবেক হাউস স্পিকার কেভিন ম্যাকার্থি এবং নিউইয়র্ক ইয়াঙ্কিজের প্রেসিডেন্ট র‌্যান্ডি লেভিন। এছাড়া লি জেলডিন ও সার্জিও গরের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের পর স্টিফেনের পক্ষে কেটির তদবির আরও জোরালো হয়। তবে তার যোগাযোগের বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা বলেছেন, কেটি সরাসরি সুসি ওয়াইলসকে পদ থেকে সরানোর দাবি জানাননি। ট্রাম্প যে চিফ অব স্টাফ পদে পরিবর্তনের কথা ভাবছেন, তা স্পষ্ট হওয়ার পরই তিনি তৎপরতা বাড়ান। স্টিফেন মিলারের ভূমিকার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে হোয়াইট হাউস। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

কেটি মিলার আগে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগে কাজ করেছেন এবং ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি (ডজ) উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পলিটিকো তার কাছে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। এক্সে কেটির সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর স্বামীর সম্ভাব্য পদোন্নতির পক্ষে তাঁর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।