আরব নেতাদের চাপের মুখে ব্লিঙ্কেন

খবর সংযোগ ডেস্ক : জর্ডানের রাজধানী আম্মানে আরব বিশ্বের পাঁচটি দেশের নেতাদের সাথে বৈঠক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এই বৈঠকে অংশ নেয় সৌদি আরব, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, বৈঠকের শুরুতেই আরব নেতাদের চাপের মুখে পড়েন অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। গাজায় তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানান তারা। হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে সমর্থন জানাননি তারা।

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন বলেন, আরব নেতাদের সৌজন্যতা এবং তাদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেয়ে তিনি কৃতজ্ঞ। তিনি জানান, আরব নেতাদের মতো তিনিও চান এই যুদ্ধ বন্ধ হোক এবং এই অঞ্চলে একটি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আসুক।

গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় মিসরকে ধন্যবাদ জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গাজা-মিসরের সীমান্তবর্তী রাফাহ ক্রসিং দিয়ে গাজায় আজও ১০০টি ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেছে।

ব্লিঙ্কেন জানান, তাদের প্রধান লক্ষ্য হামাসের হাতে বন্দিদের উদ্ধার করা। এর আগেও তিনি এ কথা বলেছেন। ব্লিঙ্কেনের দাবি, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। গাজায় অভিযান অব্যাহত রাখলে হামাসকে দমন করা সম্ভব হবে। এতে ইসরায়েলে আর হামলা চালাতে পারবে না সংগঠনটি। আর যুক্তরাষ্ট্রও এখনই যুদ্ধবিরতি চায় না বলে জানান ব্লিঙ্কেন।

ব্লিঙ্কেনের পর সংবাদ সম্মেলন করেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামেহ সোরকি। তিনি পশ্চিমাদের দ্বিমুখী ও ভণ্ডামি না করার আহ্বান জানিয়ে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির দাবি জানান।

জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি বলেছেন, কোনো হত্যাকাণ্ডই গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া এটি কোনো ধর্মীয় যুদ্ধও নয়।

এক সাংবাদিক ব্লিঙ্কেনকে জিজ্ঞেস করেন, গাজায় ১০ হাজার মানুষ হত্যা করে ইসরায়েল কি অর্জন করেছে?

জবাবে ব্লিঙ্কেন বলেছেন, হামাস বেসামরিক মানুষদের মধ্যে লুকিয়ে থাকায়, অস্ত্র মজুদ করায় বেশি ফিলিস্তিনি হতাহত হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি।